Thursday, April 30, 2026

বাংলাদেশে Free Fire কমিউনিটিতে উদীয়মান গেমিং এডিটর “electranzo”

বাংলাদেশে Free Fire কমিউনিটিতে উদীয়মান গেমিং এডিটর “electranzo”

চট্টগ্রামভিত্তিক গেমিং এডিটর electranzo বর্তমানে বাংলাদেশের Free Fire কমিউনিটিতে একজন পরিচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন। তার এডিটিং-কেন্দ্রিক ভিডিও এবং বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ধারাবাহিক উপস্থিতির মাধ্যমে তিনি ধীরে ধীরে একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন।

তার আসল নাম শাহরিয়ার হোসেন মল্লিক (Shahria Hossen Mollike)। অনলাইনে তিনি “electranzo” নামে পরিচিত, যা তিনি TikTok, YouTube, Instagram এবং গেমিং প্ল্যাটফর্ম জুড়ে একক ডিজিটাল পরিচয় হিসেবে ব্যবহার করেন। অন্যদিকে, Facebook-এ তিনি নিজের আসল নাম ব্যবহার করে সক্রিয় থাকেন, যা তার ব্যক্তিগত পরিচয় ও অনলাইন ব্র্যান্ডের মধ্যে একটি সুস্পষ্ট সংযোগ তৈরি করে।

“electranzo” নামটি তিনি নিজেই তৈরি করেন, একটি স্বতন্ত্র ও ইউনিক পরিচয় গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে। সময়ের সাথে সাথে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ধারাবাহিকভাবে এই নাম ব্যবহার করার ফলে এটি গেমিং কমিউনিটিতে একটি পরিচিত ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে।

২০২৩ সালে তার একটি Free Fire এডিট ভাইরাল হওয়ার মাধ্যমে তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। ভিডিওটি ছিল গেমের Bermuda ম্যাপের অপসারিত “Peak” লোকেশনকে কেন্দ্র করে, যা পুরনো প্লেয়ারদের মধ্যে বিশেষ সাড়া ফেলে এবং দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

একজন গেমিং এডিটর হিসেবে electranzo মূলত lobby edit তৈরিতে দক্ষ। এই ধরনের কনটেন্টে তিনি গেমের ভিজ্যুয়াল ফুটেজকে মিউজিক, ট্রানজিশন এবং বিভিন্ন ভিজ্যুয়াল ইফেক্টের সাথে নিখুঁতভাবে সিঙ্ক করে আকর্ষণীয় ভিডিও তৈরি করেন। তার এডিটিং স্টাইলে সঠিক টাইমিং, স্মুথ ট্রানজিশন এবং শক্তিশালী অডিও-ভিজ্যুয়াল সমন্বয় বিশেষভাবে লক্ষণীয়। পাশাপাশি, তিনি মাঝে মাঝে ইমোশনাল বা স্টোরি-ভিত্তিক গেমিং এডিটও তৈরি করেন, যা দর্শকদের সাথে সহজেই সংযোগ স্থাপন করে।

তার ভাইরাল কনটেন্টের পর তার ফলোয়ার সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং ২০২৪ সালে TikTok-এ তার অনুসারীর সংখ্যা ২০০,০০০ অতিক্রম করে। এর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের Free Fire কনটেন্ট ইকোসিস্টেমে একজন স্বীকৃত এডিটর হিসেবে নিজের অবস্থান তৈরি করেন।

২০২৪ সালে তিনি তার লোগো আপডেট করেন এবং কনটেন্ট স্টাইলে নতুনত্ব আনেন, যা তার ক্রিয়েটিভ জার্নির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত। যদিও YouTube-এ তার কার্যক্রম তুলনামূলক কম, তবুও সেখানে তিনি দর্শকদের সমর্থন পেয়ে থাকেন। Facebook এখনো তার অন্যতম প্রধান অ্যাক্টিভ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে রয়ে গেছে।

কনটেন্ট তৈরির পাশাপাশি, electranzo একজন সক্রিয় Free Fire প্লেয়ারও। তার ইন-গেম অ্যাকাউন্ট বর্তমানে Level 80 (UID: 524148272)-এ রয়েছে।

তার এই যাত্রা বাংলাদেশের গেমিং কনটেন্ট ইন্ডাস্ট্রিতে দক্ষ ভিডিও এডিটরদের ক্রমবর্ধমান চাহিদার একটি প্রতিফলন, বিশেষ করে Free Fire কমিউনিটিতে যেখানে এডিটিং-নির্ভর কনটেন্টের জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে।

প্রতিবেদন, elite news bd

Thursday, April 23, 2026

HOW MILLIONAIRE TRADER HANDLED DOUBTS FROM FRIEND AND FAMILY

HOW MILLIONAIRE TRADER HANDLED DOUBTS FROM FRIEND AND FAMILY


Want to learn directly from a verified 7-figure trader? Join the 1% Club and trade live with me.

I’m not a flashy guru, and I don’t sell signals. If you’re serious about learning how I actually trade, start with my FREE Trading Courses.

Get EdgeFlo, the discipline-first trading app that I use everyday. Execute clean, manage risk, and review every trade: https://www.edgeflo.com

Broker that I use: https://trade.eightcap.com/the-trading-geek/?cxd=43566_611700

Sunday, March 29, 2026

‘সেই ফুটবল ছিল ধ্রুপদি সংগীতের মতো, এখনকার ফুটবল যেন শুধুই ধুপধাপ শব্দ’

‘সেই ফুটবল ছিল ধ্রুপদি সংগীতের মতো, এখনকার ফুটবল যেন শুধুই ধুপধাপ শব্দ’

 

আলেকজান্দ্রে পাতো
আলেকজান্দ্রে পাতোপাতোর ইনস্টাগ্রাম

২০০৭ সালের গ্রীষ্মের কথা। দুরু দুরু বুকে এসি মিলানের ড্রেসিংরুমে পা রাখল ১৭ বছরের এক ব্রাজিলিয়ান কিশোর। আলেকজান্দ্রে পাতো তার নাম।

নিউইয়র্কের এক ক্যাফেতে বসে দ্য অ্যাথলেটিকের সঙ্গে আলাপচারিতায় পাতো ফিরে যান ১৯ বছর আগের সেই সময়ে, ‘ড্রেসিংরুমে আমার ডান দিকে বসা পাওলো মালদিনি। সামনে তাকাতেই দেখি কাকা ও রোনালদো। পুরো দলটাই তো কিংবদন্তিতে ঠাসা। যাঁদের নিয়ে সারা জীবন প্লে-স্টেশনে খেলেছি, তাঁরাই তখন আমার রক্ত-মাংসের সতীর্থ!’

আরও পড়ুন

মিলানের মেডিকেল সেন্টারে পাতোর সঙ্গে দেখা করতে এলেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। সেখান থেকে তাঁকে নিয়ে গেলেন ক্লাবের ডাইনিং হলে। সেই ঘরে তখন তারার মেলা। মাত্র দুই মাস আগেই এই দলটি জিতেছে চ্যাম্পিয়নস লিগে সপ্তম শিরোপা। নেস্তা, মালদিনি, পিরলো, সিডর্ফ, গাত্তুসো থেকে শুরু করে ইনজাগি আর রোনালদো নাজারিও—কে নেই সেখানে! কাকা তো সে বছরই জিতলেন ব্যালন ডি’অর।

২০১০-১১ মৌসুমে সিরি ‘আ’ জয়ী দলে যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন পাতো
২০১০-১১ মৌসুমে সিরি ‘আ’ জয়ী দলে যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন পাতো
পাতোর ইনস্টাগ্রাম

পাতোর চোখে তখন বিস্ময়, ‘আনচেলত্তি আমাকে দেখেই সবাইকে দাঁড়াতে বললেন। একে একে সব মহাতারকা এসে আমাকে স্বাগত জানালেন। বুঝলাম, একেই বলে সম্মান। আপনি বিশ্বের সেরা ফুটবলার হতে পারেন, কিন্তু আপনাকে বিনয়ী হতে হবে।’ পাতো এখনো মনে করেন, মিলানে ফুটবল শুধু খেলা ছিল না, দলটা ছিল একটা পরিবারের মতো। আর সেই পারিবারিক বন্ধনই তাদের সব জিতিয়েছিল।

আরও পড়ুন

কিন্তু পাতোর মিলানের সেই উচ্চতা ছুঁতে পারেননি খুব একটা। একসময়ের ব্রাজিলিয়ান সেনসেশন ক্যারিয়ারজুড়েই ভুগেছেন চোটে। বিশেষ করে হ্যামস্ট্রিং চোট তাঁর অগ্রযাত্রায় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বারবার। ক্যারিয়ারে ৫০০ ম্যাচে ১৮৯ গোল, পরিসংখ্যানটা একেবারে মন্দ নয়। কিন্তু ১৭ বছরের সেই কিশোরকে ঘিরে যে আকাশচুম্বী প্রত্যাশা ছিল, তার ধারেকাছেও তো যেতে পারেননি। মিলানে ছয় বছর কাটিয়েছেন। ২০১০-১১ মৌসুমে সিরি ‘আ’ জয়ী দলে যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন—১৪ গোল। এতটুকুই তো! চেলসি, ভিয়ারিয়ালে ব্যর্থ হয়ে চীনেও যেতে হয়েছে খেলতে। ক্যারিয়ারের শেষ দিকে ফিরেছেন নিজের দেশের ক্লাব সাও পাওলোতে। কোথাও আসলে ওই অর্থে আলো ছড়াতে পারেননি।

এখন পাতোর বয়স ৩৬। ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছেন বছর তিনেক হয়ে গেছে। কিন্তু সেই শিশুসুলভ হাসি আর চোখের চঞ্চলতা এখনো আগের মতোই। কথা বললেন এখনকার ফুটবল নিয়ে। এই ডেটানির্ভর ফুটবল ও কোচিংয়ের যুগে রোনালদিনহো বা রোনালদোর মতো শিল্পীরা কীভাবে মানিয়ে নিতেন? পাতোর হাসিটাই উত্তর, ‘আপনি কি রোনালদিনহোকে বলতে পারতেন—এই রনি, প্রতিপক্ষের ৮ নম্বর খেলোয়াড়কে মার্ক করো? ও তো হেসেই উড়িয়ে দিত! রোনালদোকে যদি বলতেন ডিফেন্ডারদের প্রেসিং করতে, ও বলত—তোমরা বল কেড়ে আমাকে দাও, বাকিটা আমি দেখছি।’

সম্প্রতি মিলানের দূত হয়ে নিউইয়র্ক ঘুরে এসেছেন পাতো।
সম্প্রতি মিলানের দূত হয়ে নিউইয়র্ক ঘুরে এসেছেন পাতো।
পাতোর ইনস্টাগ্রাম

সম্প্রতি মিলানের দূত হয়ে নিউইয়র্ক ঘুরে এসেছেন পাতো। কথা বলেছেন হাজারো শিক্ষার্থীর সঙ্গে। হার্লেমের সাকসেস একাডেমিতেও গেছেন, যেখানে ২০২১ সাল থেকে মিলান ফাউন্ডেশন সহায়তা দিয়ে আসছে। ৬ থেকে ১৮ বছরের ৪৫০ ছেলেমেয়ে পড়ে সেখানে, যাদের ৮৫ শতাংশই আসে স্বল্প আয়ের পরিবার থেকে। জীবনের চড়াই-উতরাই থেকে কীভাবে শিক্ষা নিতে হয়, সেই গল্প শুনিয়েছেন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের।

আরও পড়ুন

পাতোর বেড়ে ওঠা ব্রাজিলের পাতো ব্রাঙ্কোতে। একেবারে ছোটবেলায় খেলার জন্য বলও ছিল না তার। আলু বা কমলা নিয়ে ড্রিবলিং করতেন। ১১ বছর বয়সে প্রথম আসল ফুটবল পায়ে নেওয়া ছেলেটি ১৭ বছর বয়সেই পৌঁছে যায় মিলানে।

মাঝের গল্পটাও রোমাঞ্চকর। টিনেজার বয়সেই ঘর ছেড়ে ইন্টারনাসিওনালে যোগ দিলেন। ২০০৬ সালের নভেম্বরে পালমেইরাসের বিরুদ্ধে অভিষেক, মাঠে নামার এক মিনিটের মাথায় গোল! তারপর জাপানে ক্লাব বিশ্বকাপে মিসরের আল আহলিকে হারানো, বার্সেলোনার বিপক্ষে ফাইনাল। চ্যাম্পিয়নের ট্রফি নিয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন, সঙ্গে বোনাস—রোনালদিনহোর বার্সা জার্সি!

নিজের আইডল কিংবদন্তি রোনালদোর সঙ্গে পাতো।
নিজের আইডল কিংবদন্তি রোনালদোর সঙ্গে পাতো।
পাতোর ইনস্টাগ্রাম

কয়েক মাসের মধ্যে ব্রাজিলের ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদ। জনপ্রিয় পত্রিকা প্লাকার লিখল—‘ব্রাজিলীয় ফুটবলের নতুন সেনসেশন’। চেলসি, আর্সেনাল, লিভারপুল, বার্সেলোনা, জুভেন্টাস, ইন্টার—কত ক্লাব আগ্রহ দেখিয়েছে। কিন্তু পাতো বেছে নিলেন মিলান। কারণ? রোনালদোর প্রতি ভালোবাসা।

আরও পড়ুন

ব্রাজিলে কেউ ভালো খেললেই তকমা জোটে—‘নতুন পেলে’ বা ‘নতুন রোনালদো’। মিলানে যোগ দিয়ে পাতোকেও শুনতে হয়েছিল—‘এই হলো পরের রোনালদো।’ দ্য অ্যাথলেটিকের সঙ্গে গল্প করতে করতেই বললেন, ‘আমি কখনোই নিজেকে নতুন রোনালদো ভাবিনি। শুধু মনে হতো, ভালোবাসা থেকে খেলছি। আর পাশে বিশ্বের সেরারা আছেন। ব্রাজিলে কেউ একটু ভালো খেললেই বলে, ওই দেখো, নতুন কেউ এসে গেছে। এটা চাপ নয়, এটা স্বাভাবিক।’

ব্রাজিলের হয়ে নিজেকে ঠিক মেলে ধরতে পারেননি পাতো।
ব্রাজিলের হয়ে নিজেকে ঠিক মেলে ধরতে পারেননি পাতো।
পাতোর ইনস্টাগ্রাম

মাঠের বাইরেও তখন বেশ আলোচনায় ছিলেন পাতো। একজন ব্রাজিলিয়ান অভিনেত্রীকে বিয়ে করেছিলেন, রিসেপশন হয়েছিল রিও ডি জেনিরোর কোপাকাবানা প্যালেসে। কিন্তু সে সম্পর্ক টেকেনি। পরে প্রেম হয়েছিল ইতালির তখনকার প্রধানমন্ত্রী ও মিলানের মালিক সিলভিও বের্লুসকোনির মেয়ে বারবারা বের্লুসকোনির সঙ্গে। আড়াই বছর টিকেছিল সেই প্রেম।

মাঠের বাইরের রঙিন জীবন আর চোট—দুইয়ে মিলে পাতোর ক্যারিয়ারের ছন্দপতন ঘটে। মিলানে থাকতেই চোট পেয়েছেন ১৬ বার। ‘মানুষ শুধু ম্যাচটা দেখে, সুস্থ হওয়ার দীর্ঘ লড়াইটা অজানাই থেকে যায়। বারবার চোটে পড়ে একসময় নিজের ওপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছিলাম, আক্ষেপ পাতোর কণ্ঠে। এখন তিনি উত্তরসূরিদের সচেতন করতে চান। চুক্তিপত্র বোঝা, নিজের ব্যাংক–ব্যালান্সের খবর রাখা বা এজেন্টকে চেনা—সবই তাঁর চোখে ভীষণ জরুরি।

আরও পড়ুন

ফুটবলের বদলে যাওয়া নিয়ে বলতে গিয়ে যেন আবার নিজের খেলোয়াড়ি জীবনে ফিরে যান পাতো। ২০১৮ সালে পিরলোর বিদায়ী ম্যাচে টট্টি, দেল পিয়েরো, তেভেজদের সঙ্গে খেলেছিলেন। পাতো বললেন, ‘সেই ফুটবল ছিল ধ্রুপদি সংগীতের মতো। আর এখনকার ফুটবল যেন শুধুই ধুপধাপ শব্দ! এখন মাঠে নাম্বার টেন ভূমিকায় কোনো খেলোয়াড়ই তো নেই। শুধু প্রতিভা দিয়ে এখন আর টিকে থাকা সম্ভব নয়, এখনকার খেলা অনেক বেশি শারীরিক। কোচের কথা না শুনলে দলের বাইরে।’

সামনেই বিশ্বকাপ। ব্রাজিলিয়ান টেলিভিশন নেটওয়ার্ক এসবিটির হয়ে সেই টুর্নামেন্টে ধারাভাষ্য দেবেন পাতো। ব্রাজিলের ডাগআউটে থাকবেন তাঁর প্রিয় কোচ ও বন্ধু কার্লো আনচেলত্তি। পাতোর খুব আশা ব্রাজিলকে নিয়ে, ‘কার্লো জানেন তারকাদের কীভাবে সামলাতে হয়। ব্রাজিলের জন্য তিনিই সঠিক মানুষ।’

ব্রাজিলিয়ান সতীর্থ মার্সেলোর সঙ্গে পাতো।
ব্রাজিলিয়ান সতীর্থ মার্সেলোর সঙ্গে পাতো।
পাতোর ইনস্টাগ্রাম

তবে নেইমার প্রশ্নে একটু থামলেন। বেশ বাস্তববাদী শোনাল তাঁর কণ্ঠ, ‘আমার বন্ধু নেইমারকে ভালোবাসি। তবে এটা কার্লোর চেয়ে ওর (নেইমারের) নিজের ওপর বেশি নির্ভর করছে। বিশ্বকাপের আগে শতভাগ ফিট হওয়ার সময় আছে। কিন্তু ব্রাজিলে খেলাটা সহজ নয়।’ নেইমার না থাকলে রাফিনিয়া, ভিনিসিয়ুস আর কুনিয়ার ওপরই ভরসা রাখবেন পাতো।

ব্রাজিল কি তবে শৈল্পিক ফুটবল ছেড়ে ইতালিয়ান ঘরানার রক্ষণাত্মক ফুটবলে ঝুঁকবে? পাতোর উত্তর, ‘নতুন প্রজন্মের সমর্থকেরা বোঝে যে এখন আর রূপকথার ফুটবল খেলা সম্ভব নয়। খারাপ খেলো, তবু জেতো—এটাই এখন ব্রাজিলের চাওয়া। আমরা শুধু চাই ব্রাজিল ফাইনালে পৌঁছাক।’

ফুটবল মাঠে অনেক কিছু পাননি পাতো—বিশ্বকাপের মঞ্চ, কিংবদন্তির তকমা। কিন্তু যা পেয়েছেন, তার মূল্য হয়তো কোনো ট্রফিতে মাপা যায় না।

নিজেকে চিনতে শিখেছেন। এটুকুই তাঁর কাছে যথেষ্ট।


১৩ হাজার লক্ষ্যবস্তুতে বোমা মেরেছি, আরও কয়েক হাজার বাকি রয়েছে: ট্রাম্প

১৩ হাজার লক্ষ্যবস্তুতে বোমা মেরেছি, আরও কয়েক হাজার বাকি রয়েছে: ট্রাম্প

 

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার মার–এ–লাগোতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার মার–এ–লাগোতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
ফাইল ছবি: রয়টার্স

ইরান যুদ্ধ অন্তত জুন পর্যন্ত চলবে: বিশ্লেষকের সতর্কবার্তা

কমনওয়েলথ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়ার প্রধান ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষক সতর্ক করে বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত সম্ভবত ‘অন্তত জুন মাস পর্যন্ত’ স্থায়ী হবে। তাঁর মতে, ডোনাল্ড ট্রাম্প চাইলেই একতরফাভাবে ইরানের বিরুদ্ধে এ যুদ্ধ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিতে পারবেন না।

বিশ্লেষক ম্যাডিসন কার্টরাইট বলেন, ট্রাম্পের আগের বাণিজ্য নীতিগুলোর মতো এখানেও তিনি শেষ মুহূর্তে পিছু হটবেন, এমন আশা করা ঠিক হবে না।

কার্টরাইট ব্যাখ্যা করেন, শুল্ক নীতি নির্ধারণ করা প্রেসিডেন্টের বিশেষ অধিকার। কিন্তু ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ কখন শেষ হবে, তা তিনি একা বা একতরফা ঠিক করতে পারেন না।

তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

০৯: ৩০
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ
ফাইল ছবি: রয়টার্স

পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানের সঙ্গে আলোচনা সফলভাবে এগোচ্ছে, জানালেন ট্রাম্প

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে বেশ দ্রুতই একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হতে পারে। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের (এফটি) বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থাগুলো এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের তেল উৎপাদন কেন্দ্রগুলো দখল করার হুমকি দিলেও পাকিস্তানের ‘দূতদের’ মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা ভালোভাবেই এগোচ্ছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও বলেন, ইরান বর্তমানে পাকিস্তানের পতাকাবাহী ২০টি তেলের ট্যাংকার হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দিয়েছে, যা আগের তুলনায় দ্বিগুণ। ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার এ অতিরিক্ত ট্যাংকার চলাচলের অনুমোদন দিয়েছেন।

আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তি হতে পারে কি না, যা গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেবে—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে রাজি হননি।

জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের হাতে এখনো প্রায় ৩,০০০ লক্ষ্যবস্তু বাকি আছে।আমরা ১৩,০০০ লক্ষ্যবস্তুতে বোমা মেরেছি এবং আরও কয়েক হাজার লক্ষ্যবস্তু বাকি রয়েছে। তবে একটি চুক্তি বেশ দ্রুতই হতে পারে।’

তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

মাসুদসহ সহযোগীদের বিচারের মাধ্যমে শ্রমবাজার মুক্ত করার দাবি

মাসুদসহ সহযোগীদের বিচারের মাধ্যমে শ্রমবাজার মুক্ত করার দাবি

 

মালয়েশিয়া শ্রমবাজার কুক্ষিগত রেখে ধ্বংস করার মূল হোতা ফেনী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য লে. জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিনসহ তার সহযোগীদের বিচার করে শ্রমবাজার মুক্ত করার দাবিতে করেছে বায়রা সিন্ডিকেট বিরোধী ঐক্যফ্রন্ট।

ফেনী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য লে. জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত
ফেনী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য লে. জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক

১ মিনিটে পড়ুন

রোববার (২৯ মার্চ) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে এই দাবি তোলা হয়।

 
এ সময় অভিযোগ করা হয়, মাসুদ উদ্দিনসহ এক-এগারোর অন্যতম কুশীলব। তার নেতৃত্বই শেখ হাসিনা সরকারের আমলে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর নামে অবৈধ সিন্ডিকেট করে হাজার-হাজার কোটি টাকা লুট ও বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এতে সর্বশান্ত হয়েছে অসখ্য যুবক ও তাদের পরিবার।
 
 
বায়রার সাবেক যুগ্ম মাহসচিব এম এ সালাম বলেন, সিন্ডিকেটে মূল হোতা লে. জেনারেল মাসুদ উদ্দিন সম্প্রতি গ্রেফতার হলেও এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে সহযোগী নিজাম হাজারী, বেনজীর আহমেদ, লোটাস কামাল, স্বপনসহ রাঘববোয়ালরা। দ্রুত তাদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবি করেন তারা।

জীবনযাপন, মতামত, বিনোদন, শিক্ষা, বাংলাদেশ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

জীবনযাপন, মতামত, বিনোদন, শিক্ষা, বাংলাদেশ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

 

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদফতরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদ এবং এক-এগারোর সময়ের আলোচিত সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও ‎ফেনী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে আগামী ৭ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক শেখ মামুন খালেদ ও সাবেক সংসদ সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী (অবসর)।
ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক শেখ মামুন খালেদ ও সাবেক সংসদ সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী (অবসর)।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১ মিনিটে পড়ুন

রোববার (২৯ মার্চ) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই আদেশ দেন।

 
এর আগে সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ মামুন খালেদের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ ও মাসুদ উদ্দিনের বিরুদ্ধে জুলাইয়ে হত্যার অভিযোগ এনে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করে প্রসিকিউশন।
 
গত ২৫ মার্চ রাজধানীর ডিওএইচএস এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে ডিজিএফআই সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে আটক করে ডিবি পুলিশ। পরে জুলাই আন্দোলনের ঘটনায় মিরপুর মডেল থানায় করা একটি হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাকে আদালতে হাজির করলে বিচারক পাঁচ দিনের রিমান্ড দেন।
 
 
অন্যদিকে গত ২৩ মার্চ ফেনী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে মানবপাচারের অভিযোগে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকেও পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত।