Friday, September 1, 2023

ফুল রফতানি করে ৫০০ মিলিয়ন ডলার আয় সম্ভব: কৃষিমন্ত্রী

 

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ফুল খুবই সম্ভাবনাময় ফসল। সারা বিশ্বে ৩৬ বিলিয়ন ডলারের ফুলের বাজার রয়েছে। এর মধ্যে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের বাজার ধরার মতো সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের। সে সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে।

গাবতলীতে পাইকারি ফুলের আধুনিক বাজার ও প্রসেসিং সেন্টার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে কথা বলছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। ছবি: সময় সংবাদ
গাবতলীতে পাইকারি ফুলের আধুনিক বাজার ও প্রসেসিং সেন্টার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে কথা বলছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। ছবি: সময় সংবাদ

আতাউর রহমান রাইহান

২ মিনিটে পড়ুন

শুক্রবার (১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর গাবতলী বাসস্ট্যান্ড এলাকার বেড়িবাঁধে কৃষি বিপণন অধিদফতর নির্মিত পাইকারি ফুলের আধুনিক বাজার ও প্রসেসিং সেন্টার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

 
তিনি বলেন,

বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ফুলের চাষ বাড়ছে। দেশে ও আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদাও বাড়ছে। সারা বিশ্বে ৩৬ বিলিয়ন ডলারের ফুলের বাজার রয়েছে। এর মধ্যে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের বাজার ধরার মতো আমাদের সুযোগ রয়েছে। সে সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে।

 

 
দেশের অর্থনীতি সামনে আরও বিকশিত হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘অর্থনীতি বিকাশে ফুল বিরাট ভূমিকা রাখতে পারবে। সে জন্য ফুলের উন্নত জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং ব্যাপক সম্প্রসারণ করতে হবে।’
 
এ সময় বিজ্ঞানী ও উদ্যানতত্ত্ববিদদের দ্রুত ফুলের আধুনিক জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের নির্দেশ দেন কৃষিমন্ত্রী।
 
পাইকারি ফুলের বাজারকে কৃষি বিপণনের ক্ষেত্রে মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন,

এই বাজারকে আধুনিক ও সুষ্ঠুভাবে ব্যবস্থাপনা করতে হবে। কোনো রকমের অব্যবস্থাপনা যাতে না হয়, সেদিকে কঠোরভাবে খেয়াল রাখতে হবে।

 

টাকা পাচার রোধে সবার সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘এই মুহূর্তে দেশে ডলারের কিছু ঘাটতি চলছে। এই ঘাটতির পেছনে একদিকে রয়েছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধি। অন্যদিকে  রয়েছে দেশের ভূমিদস্যু, কিছু ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবি–যারা অর্থ পাচারের মাধ্যমে দুবাই,  কানাডা, মালয়েশিয়ায় বাড়ি কিনেছেন ও সম্পদের মালিক হয়েছেন।’
 
তিনি বলেন, ‘ভূমিদস্যু, কিছু ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবী অর্থ পাচার করে দিনদুপুরেই দেশটাকে ডাকাতি করছে। এদের রুখতে সরকার নিরলস চেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্তু এদের মোকাবিলা করা খুবই কঠিন। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চক্র এর সঙ্গে জড়িত। সে জন্য যারা অর্থ পাচার করে, সম্পদ লুটে বিদেশে নিয়ে  দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করতে চায়, তাদের ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করতে হবে। এদের হাত থেকে জাতিকে মুক্ত করতে হবে।’
 
 
অনুষ্ঠানে ফুল ব্যবসায়ীরা জানান, ‘বর্তমানে দেশে ১৫০০ কোটি টাকার ফুলের বাজার রয়েছে, যেখানে ১৫ লাখ মানুষ নিয়োজিত।’
 
উল্লেখ্য, কৃষি বিপণন অধিদফতরের নির্মিত এই পাইকারি বাজারে ব্যবসায়ীরা আধুনিক সব সুবিধা পাবেন ও প্রসেসিং করে বিদেশেও পাঠাতে পারবেন।
 
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রুহুল আমিন তালুকদার, বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ মো. বখতিয়ার, কৃষি বিপণন অধিদফতরের সাবেক মাসুদ করিম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক তাজুল ইসলাম পাটোয়ারী, ঢাকা ফুল ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি বাবুল প্রসাদ প্রমুখ।


শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.